• Blogtog

যেখানে জাহ্নবী, গঙ্গার আঁতুরঘরে


ঋদ্ধিমান ভট্টাচার্য।

আকাশ ভেঙে বৃষ্টি হচ্ছে।চুলের মত মেঘ সব ছড়ানো। উদ্ধত হিমালয়ের ভেজা শরীরে বরফের স্নিগ্ধ গন্ধ।দমকা হাওয়ায় সেই মোহিনী গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। আজ মন ছেড়ে,শরীর ছেড়ে, চারপাশের চেনা সব আবেগ,উত্তাপ, প্রেম-অপ্রেমের লোকাস ছাড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ার দিন। পুরাতন প্রেম ঢাকা পড়ে যাক নতুন কোন প্রেমে।শরীর জুড়ে ক্লান্তির আনন্দ। ধোঁয়া ওঠা কফির কাপের একটু উষ্ণতা দুহাতে চেপে ধরে, মনে মনে হারিয়ে যাচ্ছি সেই ফেলে আসা পাকদণ্ডী পথ, গ্রানাইটের ঢাল, বরফ মোড়া পাহাড়চুড়া আর দিগন্ত জোড়া রোমান্টিকতার রাজ্যে।সমতলের মানুষ,বরফ ঢাকা পাহাড়ের সাথে তাই প্রথম পরিচয় ভূগোল বইয়ের পাতায়।


হিমালয় যে গায়ে গতরে বাড়ছে তা জানাই ছিল।আমাদের ধর্ম, মীথ, সংস্কার-কুসংস্কার আর ইতিহাসের আবর্তে মোড়া এই দেবতাত্মা হিমালয়ের ক্রম বর্ধমান TRP’র রহস্য ভেদ করা হয়ত ফেলুদা বা ব্যোমকেশ বক্সীর কম্ম না।সেই গল্পে যদি আবার যোগ হয় আবহমান গঙ্গার জন্ম রহস্যের পাঁচফোড়ন, তবে তো সোনায় সোহাগা।সেই কারনেই, বৃষ্টির দাপটে স্যাতস্যাতে মোহময় সন্ধ্যায়, হোটেলের বিছানায় নির্বাক স্মৃতি রোমন্থনে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। গঙ্গোত্রী মন্দির থেকে ভেসে আসছে সন্ধ্যা আরতির সুর। ভেজা চুপচুপে জাহ্নবী উপত্যকায় শীত তার আগমনের আগাম বার্তা পাঠিয়েছে। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে, আমরা ফিরেছি গোমুখ থেকে। পিছনের ২৬টা ঘণ্টা ধরে একের পর এক বিহ্বলতা ভরা অভিজ্ঞতার কোলাজ জমেছে মনের কানভ্যাসে।যখন রওনা দিয়েছিলাম তখন প্রায় বেলা সাতটা।



রাত-ভোর বৃষ্টিতে রওনা হতে দেরি হয়েছিল বেশ কয়েক ঘণ্টা। তাই একটু ব্যস্ত পায়ে উঠে এলাম পাকদণ্ডী পথ বেয়ে। কৈশোরের যাবতীয় চপলতা নিয়ে বয়ে চলা গঙ্গা কে ডান দিকে রেখে উঠে এলাম গঙ্গোত্রী Reserve forest এর check post এর কাছে। চীর, খীরশুর চিকন পাতায় গলে গলে পড়ছে মেঘ ছেঁড়া নরম রদ্দুর।পথের ধারে ভ্রিঙ্গরাজে ফুল ধরেছে সাদা হয়ে। Check Post’এ এসে খবর পেলাম গোমুখের পরিস্থিতি ভালো নয়। ভীষণ তুষার পাতে তপোবন নন্দনবনের পথ।গত তিন দিন ধরে সাংঘাতিক বরফ পড়েছে গোমুখেও। ভুজবাসায় আটকে গেছে অনেকেই। Check Post’এর ভারপ্রাপ্ত অফিসার কে বিদায় জানিয়ে আমরাও রওনা দিলাম।


বুরাসের ঝোপের আড়াল থেকে উঁকি দিয়েই মুখ লুকাল গোটা তিনেক Barking deer।Check Post পার হওয়ার পর থেকেই চড়াই বাড়তে শুরু করেছে। প্রমত্তা নদী এখন অনেক নীচে- ঠিক যেন এক পান্না সবুজ জলের রেখা। ফেলে আসা গঙ্গোত্রী উপত্যকা ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা। অথচ সামনের আকাশ অদ্ভুত নিল।সেই নীলের গায়ে হেলান দিয়ে ভাগিরথের বরফ ঢাকা চুড়া। গত কালকের দুর্যোগের ছিহ্ন টুকুও নেই।বাঁ দিকে গ্রানাইটের খাঁড়া দেওয়াল, সবুজের আধিক্য বেশ কম।তবে নদির ওপারে পাইন,ফার,সাইপ্রাস আর চীরের ঘন সবুজ বন, যদিও টা আজ বরফের তলায়।পথের ধারের লালচে কাঁঝোপের পাতায় জমে থাকা ধারালো বরফের থেকে টুপিয়ে পড়ছে জল।



মাথার উপর এক চিল বিশাল ডানা মেলে চক্কর কাটছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চড়াই আর পায়ের তলায় বরফের আধিক্য। বরফের গন্ধ, গভীর গিরিখাতে গঙ্গার বয়ে চলা, উত্তুঙ্গ পাহাড় চূড়া –সম্মোহনের যাবতীয় উপকরনই প্রস্তুত।বাঁক ঘুরতেই হতবাক সবাই। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নামছে ঝরনা, জলের ধারা কুচিকুচি হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে এদিকে-ওদিকে। তারপর সেই ধারা নেমে গেছে পথ কেটে বহু নীচে, আর সে নিজেকে মিশিয়ে দিয়েছে ভাগিরথীর আবহমান রোম্যান্টিকতায়।কাটা পথের সেতু বন্ধন করেছে সমান্তরালে রাখা দুটি পাইনের গুড়ি, তার উপর জমে আছে পাতলা সরের মতন বরফ-Varglass। পা হড়কালে অধঃপতন নিশ্চিত।তাই বাধ্য হয়েই সরীসৃপের মতন বুকে হেতেই ঝরনা পেরলাম। এরপর কিছুটা চড়াই পেরলেই চীরবাসা বয়ে চলা একতিরতিরে ঝোরার উপর কতগুলি কোনাকুনি বোল্ডার আর তারই খাঁজে কাঁটার ঝোপ আড়াল করে রেখেছে পথের রেখা।


আবার নতুন করে সবুজের সমারোহ পথের দুপাশে। চীর আর পাইনের গহন বনের ফাঁক দিয়ে চোখে পড়ে জলরঙে আঁকা নীল আকাশ। ঠিক যেন ক্যালেন্ডার এর পাতার সামনে এসে পথভোলা পথিকের মতন থমকে দাড়ান।চীরবাসা-সবুজে সবুজ, নীলিমায় নিল।হেলে থাকা পাথরের ছাদের নীচে পলিথিনের তাঁবু।কেতলিতে জল ফোটার শোঁ-শোঁ আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিলো।ফুটন্ত জল থেকে ওঠা বাষ্পের আড়ালে দেখলাম বিবর্ণ এক মুখ। তবুও সে মুখ ভরা ছিল প্রশান্তিতে। বাড়ি ওর উত্তরকাশী। হিমালয়ের এই বিজন পথে Adventure লোভীদের জন্য প্রয়োজনীয় আরাম টুকুর ব্যবস্থা করে দিয়েই ও খুশী। এতাই ওর রোজগারের পথ, তবুও এই সামান্য আয়ের জন্য ভয়ঙ্কর রাত গুলো কাটিয়ে দেয় একা আর শীত নামতেই পসরা গুতিয়ে নেমে যায় নিজের গ্রামে। হিমালয়ের যাবতীয় মাথানাড়ার চিহ্নগুলোর আত্তিকরন হয়ে যায় ওদের মুখের অকাল বলি রেখায়। মুখে তাও গাল ভরা হাসি।



প্রাণখোলা মানুষটার সাথে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে আবার রওনা দিলাম। কথা দিয়েছি ফেরার পথে অনেকক্ষন সময় কাটাবো ওর তাঁবুতে। কিছুটা এগোতেই বেশ কিছু বিস্তৃত সমতল, আর সেখানেই গাঢ়োয়াল মণ্ডল বিকাশ নিগমের অতিথিশালা। পাইনের সবুজ ঘেরাটোপে ছোট্ট, সাজানো trekker hut আপাততঃ একদল বিদেশী পর্যটকের দখলে।বিস্তীর্ণ হিমালয়কে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে চলেছি। সবুজের বিস্তারকে অনেকটা পিছনে ফেলে এসেছি। যতদূর চোখ যায় রুক্ষ গ্রানাইটের ঢাল আর উলতদিকে বরফ ঢাকা পাহাড় চূড়া।পহাড়ের ঢালে চরে বেড়ানো হরিনআর ভেড়ার ক্ষুরের ধাক্কায় গড়িয়ে নামে পাথর খণ্ড। অভিকর্ষের টানে দ্রুত নেমে আসে আলগা পাথর। সেই ঝরা পাথরের আদর এড়িয়ে অক্ষত শরীরে পাকদণ্ডী পথ ধরে চললাম ভুজবাসার দিকে। গোমুখের পথে ওটাই শেষ জনবসতি।


শেষ কয়েকদিনের অবিরাম তুষারপাতে তাই ওখানে আটকে আছে অনেকেই। আলাপ হল এক বাঙালী পরিবারের সাথে। ওদেরই দলের জনা চারেক বেপাত্তা দুদিন। তপোবনে গিয়ে আটকে পড়েছে, তাই উদ্বিগ্ন বাকি সব্বাই। পরিস্থিতি বুঝে আমরাও তপোবন যাত্রার ভাবনায় ইতি টানলাম।গোমুখের পথে এম্নিতেই আজ লোকজন কম।বিদেশি একটা গ্রুপ দেখলাম তখন ফেরার পথে। ওদের কাছে খবর পেলাম গোমুখের আবহাওয়া ঠিকই আছে, তবে বেশ বরফ পড়েছে। ভুজবাসাতেই একটা চটিতে গরম চা আর নুডুলস সহযোগে মধ্যাহ্নভোজ সেরে আমরাও রওনা দিলাম গঙ্গার জন্মস্থানের উদ্দেশ্যে। ভুজবাসা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ, গোমুখের গুহামুখ।মোরেমের উপর দিয়ে পথ, দুপাশ জুড়ে বরফ আর বরফ।বেলা বাড়তে থাকায় সূর্যদেব তাঁর ভোল্টেজ বাড়িয়ে চলেছেন, তবুও গ্লসিয়ারের দিক দিয়ে বয়ে আসা বাতাস হাড়েহাড়ে কাঁপুনি ধরিয়ে দিচ্ছে। স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে স্নাউট।



গোগ্রাসে গিলে চলেছি গঙ্গার জন্ম মুহূর্তের শীতল সৌন্দর্য। গাঢ় নীল আকাশ, ভাগিরথের বরফ ঢাকা শিখর, গোমুখের গুহামুখ থেকে ভেসে আসা বরফ গলা জলের Symphony , সব মিলে মিশে মনের ভেতর নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ। ইচ্ছা করছে ছুটে নেমে যাই।বিহ্বল পা দুটো কেন না জানি থমকে আছে। বিরাম নেই ক্যামেরার শাটারের।আচমকাই বদলে গেল সবকিছু।নীল আকাশের ক্যানভাসে কে যেন উলটে দিল কালির দয়াত।দিন রাতের ফারাক গেল ঘুছে।শুরু হয়ে গেল বাতাসের দস্যিপনা আর তাঁর সাথে বরফের ধারাপাত। বাধ্য হয়েই তাই ফেরার পথ ধরতে হল।মনের অনুভবে মোহময়, রঙ্গীন মুহূর্ত গুলোর Impressionism হারিয়ে যেতে থাকল বরফের তলায়। শুরু হয়ে গেল Blizzard আর পথের সব রেখা তলিয়ে গেল দুধ সাদা বরফের নীচে। কেবলএকটাই রঙ শাসকের ভূমিকায় –সাদা।


সাদার দাদাগিরিতে দুর্গম পথ হয়ে উঠল আরও দুর্গম। অধরা মাধুরীর কাছে আসা,অদ্ভুত প্রক্রিতিময়তা, আমিত্বের চরম Humiliation সবকিছু সম্পৃক্ত হয়েই বোধহয় এই হিমালয় হয়ে উঠে ভয়ংকর সুন্দর।ভুজবাসায় পৌঁছে বুঝতে পারলাম, এখানে ঠাই হবে না। নীচের বেসিনে লালবাবার আশ্রম ডুবে আছে বরফের স্মুদ্রে।রাস্তার পাশের চটি গুলোতেও আঁটকে পড়া অভিযাত্রীদের ভিড়। এদিকে আবহাওয়া দ্রুত খারাপ হচ্ছে। বিরামহীন বরপাতের মাস্তানিতে শরীরও ক্লান্ত।তাই রাতে মাথা গোঁজার একটা ব্যবস্থা করতে নেমে এলাম চীরবাসা।বেলা তখন প্রায় চারটে। বরফ আর ঠাণ্ডার দাপট আরও বেড়ে গেছে। মনে মনে চাইছিলাম ভুতের রাজার বর-সেই জাদু জুতো।দিব্যি তালি দিয়ে চলে যাওয়া যেত ঝুন্ডি থেকে হুন্ডি বা শুন্ডি। শেষ মেশ ভুতের রাজার দেখা না পেলেও পেয়ে গেলাম সকালে আলাপ হওয়া সেই চা দোকানের মালিক কে। দোকান লাগোয়া একফালি সমতলে একটা পলিথিনের তাঁবুর ব্যবস্থাও হয়ে গেল সেই মানুষটির কল্যানে।সাথে খড়ের বিছানা আর কম্বল। বিনা অনুরোধেই সে বানিয়ে দিল রাতের খাবার-গরম গরম খিচুড়ি।অমন Adverse পরিস্থিতিতে উপলব্ধি করলাম যাবতীয় নান্দনিকতার থেকে ক্ষুধানিবৃত্তির আনন্দ কোন অংশে কম নয়।সারাদিনের ক্লান্তির পর, প্রয়োজনীয় আরাম আর সাচ্ছন্দটুকুর জন্য প্রান ভরে শুভেচ্ছা জানালাম তাকে।



অবিশ্রান্ত তুষারপাতে মৃত্যু হয়েছে সময়ের। তবুও ভোরের প্রতীক্ষায় রইলাম। ঝড়ের দামালপনা, হিমাঙ্কের থেকে প্রায় ১৫-২০ ডিগ্রী নীচে নেমে যাওয়া তাপমাত্রা, তাঁবুর সামনে Bonfire এর নিভু নিভু আগুন; সব মিলে রাতের মেহফিল ভোলার নয়। মনে পড়ছিল হারমান বুলের নাঙ্গা পর্বত অভিযানের কথা। Summit Camp থেকে ৪০ ঘণ্টার লড়াই তাঁকে পৌঁছে দিয়েছিল পাহাড় চূড়ায়, আর সেখানেই খোলা আকাশের নীচে সারা রাত কাটিয়ে ফিরে এসে লিখেছিলেন Nanga Porbat-the pilgrimage। তখন আমাদেরও মনে হচ্ছিল আমরাও তো তীর্থযাত্রী। গোটা হিমালয়’ই যেন দেবতার স্থান।সেই লভেই তাই বার বার ফিরে ফিরে আসা।অবশেষে রাত কেটে যায়, কিন্তু বরফ পড়ার বিরাম নেই। তবে দানবীয় বাতাসের দাপট কমে আসে। রাতের আশ্রয়দাতাকে বিদায় জানিয়ে উৎরাই বেয়ে রওনা দিলাম।আস্তে আস্তে বরফের ছায়ায় মিলিয়ে গেল চীরবাসা। নীচে ক্রমে দৃশ্যমান হতে লাগলো গঙ্গার চলাচল।



নদীর দুপাড় জুড়ে উপছে পরা সাদা বরফ, কিন্তু মৌসম খুল রহা হ্যাঁয়। Check Post পৌঁছে দেখি গেট বন্ধ। অনেক দাকাদাকির পর অফিসার ঘুমভরা চোখ নিয়ে বাইরে এলেন। একগাল হেসে জানতে চাইলেন কোন তখলিফ হয়েছে কিনা। কি উত্তর দেব জানি না। গতকাল গোটা দিন প্রেম করেছি প্রকৃতির পাগলামোর সাথে। সহবাসের স্মৃতি, গত রাতের সব চিহ্ন মনের শরীরে লেপটে গেছে।বেলা তখন ৯’টা নেমে এলাম এক্কেবারে গঙ্গার পাড়ে। গঙ্গোত্রী মন্দির থেকে ধুপের গন্দ ভেসে আসছে।গোমুখের গুহা মুখে হিমবাহ থেকে ফোঁটা ফোঁটা করে ঝরে পরা জল যেন জেহাদ ঘোষণা করেছে পাথরে উদ্ধত্যকে। ভুগলের পাতায় পড়া নাম -রক্তবরন, চতুরঙ্গী আরও কত গুলো হিমবাহ নাকি ঘিরে আছে গঙ্গোত্রী হিমবাহের চারপাশে। সেই হিমবাহের জল গুহা মুখ থেকে বয়ে আসছে ভাগিরথী নাম নিয়ে। তারপর কত প্রয়াগ পেরিয়ে কত না নদীর ভলবাসা বুকে ভরে সে হয়েছে গঙ্গা-আমাদের আবহমান সংস্কৃতি।যতই পরিবেশ দপ্তর দূষণের হুঁশিয়ারি দিক, আমাদের আচার আর বিশ্বাসের চ থেকে চন্দ্রবিন্দু এই গঙ্গার আঁতুড় ঘর আজ পবিত্র, অমলিন।গঙ্গা বয়ে যাবে গঙ্গোত্রী থেকে হরসিল, উত্তরকাশী, দেবপ্রয়াগ, হরিদ্বার, বেনারস, পাটনা হয়ে আমরি বাংলায়। আমারও ফিরে যাবো, কোলকাতা। তবে স্মৃতি রোমন্থন চলবে বারবার। মনে হবে এভাবেও ফিরে আসা যায়। আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি পাহাড় চূড়ায় জমা বরফ অ্যালবামের পাতায় আঁটকে অতঃপর বাই বাই হিমালয়।




পড়ুনঃ


  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Instagram

©2019 by Blogtog.