• Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Instagram

Get Blogtog updates on the go

We dont Spam or play with your data

©2019 by Blogtog.

  • Blogtog

টাকির পার্থ মুখার্জি- ভাঙা কলের মুখে কল লাগাচ্ছেন, দল নিয়ে গাছ কাঁটা আটকাচ্ছেন


টাকির পার্থ মুখার্জি বিজ্ঞানমঞ্চ গড়ে তুলে লড়ছেন গাছ কাঁটার বিরুদ্ধে।

মন্দির নিয়ে রাজনীতি হয়,সন্ত্রাস নিয়েও হয়। বোম আর সমরাস্ত্রের জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ হয়। কর্পোরেট নীতি থেকে স্ক্যাম —সবই থাকে ভোটের ই্যসুতে। কাউকে তো দেখলাম না পরিবেশের জন্য ইস্তেহারে কিছু বরাদ্দ রেখেছেন। বরফ গলছে,সে তো দক্ষিন মেরুতে— সমস্যা হলে পেঙ্গুইন ফেস করবে,আমাদের কি। আর ওই যে মেরু ভাল্লুক শহরে চলে আসছে? সেটাও মাইন্ড গেম। মাইন্ড যখন ভাল্লুকের তখন সে শহরে থাকবে না বনে তা নিয়ে খামোখা রাজনীতি করতে নেই। এই দায় এড়ানোর চক্করে আমরা ভুলতে বসেছে সেই ছেলে বেলা থেকে পড়ে আসা চিরন্তন সেই বাণী— একটি গাছ একটি প্রাণ। আমাদের শহর কোলকাতার কোন এক বহুতলে দাঁড়িয়ে যদি নিচের দিকে দেখেন আর চোখ বন্ধ করে ফিরে যান কয়েক বছর আগে,হলফ করে বলতে পারি সবুজের ফিকে হয়ে আসাটা টের পাবেন। সবুজ কমতে থাকার এই প্রবণতা শহর বা শহরতলী পার হয়ে চলে আসছে মফঃস্বলে,গ্রামে।



এইভাবে সবুজকে নিঃশেষ করে ফেলার জন্য হয়ত গুচ্ছের অযুহাত আছে। প্রশাসনের প্রচ্ছন্ন আসকারা আছে। কিন্তু ফলাফল জানা আছে কি? রচনায় লিখেছিলেন না,গাছ কমলে বৃষ্টি কমবে,দূষণ বাড়বে। ওটা অ্যাডজাস্ট করে নেবেন, তাই তো! ভ্যাপসা গরম লাগলে এসি লাগিয়ে নেব। দূষণে দুর্বিসহ হয়ে উঠলে ইকো টুরিজম ডেস্টিনেশন গুলোয় ঢু মেরে আসবো।


পড়ুনঃ আর কয়েক বছরের মধ্যেই কলকাতার অবস্থাও হবে চেন্নাইয়ের মতন


কিন্তু সব্বাই এমন নন। এমন একজনের কথা বলছি,তাঁকে অনেকেই চেনেন না। আমাদের টাকির এক হাই ইস্কুলের রিটারার্ড টিচার। অবসরেরর পরও তাঁর ফুসরৎ নেই। তাঁর ইছামতি বিজ্ঞান মঞ্চের দলবল নিয়ে কাজ করে চলেছেন। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরছেন। ভাঙা কলের মুখে কল লাগাচ্ছেন। বোঝাচ্ছেন —জল নষ্ট করবেন না। ঐতিহ্যের টাকি রোডের দুধারের বড় বড় গাছগুলো কেটা ফেলা হচ্ছিল। ডাল ছাটার সরকারি অনুমতি নিয়ে আস্ত গাছগুলো কেটে ফাঁকা করে দেওয়া হচ্ছিল।



মানুষটা তাঁর দলবল নিয়ে আটকেছেন। প্রশাসনও নড়ে বসেছে। আজকের কাগজে রিপোর্ট হয়েছে। তিনি টাকির পার্থ মুখার্জি।


পড়ুনঃ Manual scavenging has taken away 88 lives in last three years


ওনাকে দেখে অনুপ্রেরণা নিন। আমরাই তো শেষ প্রজন্ম নই। আমাদের পরের প্রজন্মকে বাসযোগ্য বসুন্দরা দিয়ে যেতে কিছু করতে না পারি, অন্তত শুভ ইচ্ছাটা লালল করি।