• Blogtog

গোপন সুত্রে পাওয়া খবর- মদন মিত্র আসলে ভগবানের অবতার। কে সেই ভগবান! [ফেক নিউজ]


মদন মিত্র

মদন মিত্র। হ্যাঁ যার লাইভ এলে দুনিয়া দশ দিনের জন্য কেঁপে ওঠে, যার হলুদ রঙের চশমায় সিধু কাককে দেখে হলুদ পাখি, সেই মদন মিত্র আসলে জানেন আপনি কে! তিনি আসলে বিষ্ণুর অবতার। এইরকমই সন্দেহ করেছেন মেদিনীপুর জেলার(পূর্ব না পশ্চিম বলবোনা) প্রত্যন্ত গ্রামের প্রত্যন্ত চায়ের দোকানের প্রত্যন্ত এক চা খেতে আসা কাস্টমার। টায়ার পাংচার হয়ে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিকরা আটকে গেছিল সেইখানে কিছুক্ষণ। সামনে চায়ের দোকান দেখেই বসে পড়ে চাতালে। সেই চায়ের দোকানেরই এক কাস্টমার(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন মদন মিত্র আসলে কল্কি অবতার। এই কলিযুগে তিনি ফিরে এসেছেন পৃথিবীর নিউট্রিলিটি বজায় রাখতে। ওনাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়, এইরকম সন্দেহের কারণ কি তখন তিনি জানান শেষ কবে কোনো পুরুষের প্রতি কচি কচি মেয়েরা এমন ঢুলু ঢুলু চোখে তাকিয়েছে। তাকে বিয়ে করার জন্যে রাধা সেজে দোলনা বানিয়েছে গাছে গাছে। তার পাঁচমিনিট লাইভের জন্যে পাঁচ বয়ফ্রেন্ডের কল হোল্ড করিয়েছে!

এ অবতার ছাড়া আর কি!


পড়ুনঃ আপনি কি জানেন ভারতে রবিবার ছুটির জন্যে চলেছিল দীর্ঘ সংগ্রাম


কিন্তু আমাদের সাংবাদিক একটু মিচকা শয়তান টাইপের। সে আবার ফোড়ন কেটে প্রশ্ন করলো- ‘বিজেপি ভগবানের দোহাই দিয়ে এত এত সিট জিতে নিলো আর তৃণমূলে স্বয়ং ভগবান থেকে কিছু করতে পারলো না?’ এই প্রশ্ন শুনে রাগ চোখে ওই কাস্টমার তাকায় আমাদের সাংবাদিকের দিকে। তারপর চায়ের কাপটা পাশে রেখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বলে- ‘আপনি কি গান্ধারীর অবতার? চোখ থাকা সত্বেও অন্ধ সেজে আছেন কেন? দাদার লাইভে যত কমেন্ট পরে তার ১০% ভোট ও বিজেপি পায়না। দুঃখ হলো দাদার প্রেমিকারা সবাই ১৮ বছরের নীচে। নইলে আর দেখতে হতো না।’

এই যুক্তি শোনার পর মাথা ফেটে যায় আমাদের সাংবাদিকের। জরুরি অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয়েছে তৃণমূলের বাঙ্গুর হাসপাতালে। জানিনা সে কোনোদিন ফিরে আসবে কিনা, ফিরে এলে তাকে শোনাবো, চলভাষ যন্ত্রে দাদার গম্ভীর কণ্ঠে ঘোষণা – ‘মদন মিত্র লাইভে আছি’।

এতদূর যখন পড়েই নিলেন তখন চট করে লাইক করে দিন আমাদের ফেসবুক পেজ আরও অনেক ফেক নিউজের জন্যে। ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ারাবেন। নইলে মদন দা কিন্তু এর কোনোদিন লাইভ করবেন না।


পড়ুনঃ জীবনানন্দ দাশের হাতে বেধড়ক মার খেলেন ফেসবুক কবি

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Instagram

©2019 by Blogtog.