• Blogtog

বাংলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো কি আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে?



একটা সময় গুরুজনের কাছে শোনা যেতো, -

"পড়ালেখা করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে।"



কিন্তু আজকের পশ্চিমবঙ্গে কথাটা খানিকটা হলেও বেমানান লাগে।

কেননা আজ এই পশ্চিমবঙ্গের বুকেই শিক্ষা বারংবার লাঞ্চিত, ও কালিমালিপ্ত হচ্ছে।

প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমে কিংবা খবরের কাগজে চোখ রাখলে বোঝা যায় শিক্ষাঙ্গন আজ

ক্রমেই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে চলেছে।


প্রতিদিন আমরা জানতে পারছি কোনো না কোনো নাম করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হয় পড়ুয়া নিগৃহীত হচ্ছে,

কিংবা শিক্ষক অপমানিত হচ্ছে।

আর যার কারনেই সারা ভারতের কাছে আমাদের রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ওই সব শিক্ষাঙ্গনগুলো ক্রমেই হেয় হয়ে চলেছে।


পড়ুনঃ



এই বিষয়ে আমাদের এই সমাজের বিশিষ্টজনেরা হাজারো মত প্রকাশ করবেন---,

কেউ এর জন্য দায়ী করবে শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র রাজনীতিকে, কেউবা আবার বর্তমান অসহিষ্ণু সমাজব্যবস্থাকে,

কিন্তু তারা নিজেরা কেউ সামনে এসে এর প্রতিবাদ করবেন না।

কিংবা যারা এর বিরুদ্ধে মুখ খুলবেন তাদেরকে সম্মুখীন হতে হবে তীব্র ভৎসনার।


কিন্তু প্রশ্ন হলো কত দিন চলবে এসব!

বাংলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো কি আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে?

এটাই আজ চিন্তার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আর এর পাশাপাশি শিক্ষিতের যোগ্যতা কি কয়েকটা কাগুজে সার্টিফিকেটেই আবদ্ধ থাকবে, নাকি তারা নিজ দক্ষতা অনুসারে কর্মের সুযোগ পাবে।

কেননা ওপরতলা থেকে নিচতলা সাবটাই আজ দুর্নীতিতে জর্জরিত।


সম্প্রতি একটি ঘটনা আজ পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাঙ্গনের উজ্জ্বল গৌরবকে আবারো সারা দেশের কাছে

কলঙ্কিত করে দিয়েছে।

নবগ্রাম হীরালাল কলেজে অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায় এর নিগ্রহের ঘটনা আবারও শিক্ষকদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশাসনকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

এই বিষয়ে সেই আক্রান্ত অধ্যাপকের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন



" একদল জোর করে বলাচ্ছে জয় শ্রীরাম, আরেকদল বলাচ্ছে মমতা ব্যানার্জি জিন্দাবাদ....

কোনো সভ্য সমাজে এসব হয়?" -


এই বিষয়ে শিক্ষা মহলের মতামত চাইলে তারা বলেন বারংবার এই সমস্ত নজিরবিহীন ঘটনে ঘটতে থাকলে

বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পরবে।


পড়ুনঃ


  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Instagram

©2019 by Blogtog.