• Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Instagram

Get Blogtog updates on the go

We dont Spam or play with your data

©2019 by Blogtog.

  • Blogtog

কলকাতার প্রথম ফুড ATM-প্রতিবছর ভারতে ৮৮ হাজার কোটি টাকার নষ্ট হওয়া খাবারের ঠিকানা


কলকাতার প্রথম এটিএম

'ভারতবর্ষে সারাবছরে যে পরিমান খাবার নষ্ট হয়, সে পরিমান খাবার মিশরের প্রায় সারাবছরের মোট খাবারের সমতুল্য।'

(The amount of food India wastes annually is enough to feed entire Egypt for a year)

পার্ক সার্কাসের কাছাকাছি একটি রেফ্রিজারেটরের গায়ে এমনি একটি লাইন লেখা আছে। ভেতরে রয়েছে বেশ কিছু খাবার। খাবার বলাটা হয়তো ঠিক যথোপযুক্ত হচ্ছেনা। বলা ভালো 'ফেলে দেওয়া খাবার'।

হ্যাঁ, অবাক হবেন না। যেই খাবারটা আমরা চাওমিনের দোকানে অথবা হোটেলে গিয়ে উচ্ছিষ্ট হিসেবে ফেলে দি, সেইটুকুন খাবারের জন্যেই খোলা হয়েছে কলকাতার প্রথম ফুড ATM. প্রায় ৩২০ লিটারের একটি রেফ্রিজারেটরে।


চলছে খাদ্য বিতরণ

সেখানে গোটা বার্গার খেতে না পারা মেয়েটা যেমন ঢুকিয়ে দিয়ে যাচ্ছে খাবারটা তেমনি রাস্তায় রাস্তায় সারাদুপুর ঘুরে বেড়ানো বাচ্চা ছেলেটা পেয়ে যাচ্ছে ডিম বা কলা। এর চেয়ে ভালো আর কী বা হতে পারে?

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই সিস্টেমে অভ্যস্ত সবাই। এবার আমাদের পালা। আসিফ আহমেদের হাত ধরে। নাম রাখা হয়ছে ‘Hunger Free Kolkata’। সার্জা চুলহা রেস্টুরেন্টের কো-ফাউন্ডার আসিফ আহমেদই প্রথম এই Food ATM তৈরি করেন। সাথে ছিল রোটারী ক্লাব, রাউন্ড টেবিল এবং JITO.

প্রাথমিক ভাবে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০হাজার মতন। কিন্তু আপাতত ভীষণ খুশি পার্ক সার্কাসের ক্ষুধার্ত মানুষগুলো।


তবে এ তো সব শুরু, পথ চলা বাকি এখনো অনেকটা। কলকাতার সব জায়গায় যদি এমন ATM করা যায় তবে কি ভালো একটা ব্যবস্থা হয় একবার ভেবে দেখুন।

তাই আর অপেক্ষা নয়, আসিফ আহমেদের গড়া পথে আমরা সবাই মিলে নিজেদের এলাকায় গড়ে ফেলতে পারি এমনি অনেক FOOD ATM.

কলকাতায় এখনও ২২% মানুষ না খেতে পেয়ে ভুগছে। তারা সবাই যদি আমাদের ভাগ করা খাবার খেয়ে সারাদিন থাকতে পারে, এর চেয়ে আনন্দের আর কী বা হতে পারে!





"Wasted wheat produce: 21 million tonne. Worth of food wasted in India per year: Rs 88,800 crore. Food needed to feed India’s population: 225-230 million tonne per year. 

Worth of food wasted per day: Rs 244. Farm output in 2015-16: 270 million tonne 

Indians going hungry daily: 194 million" - Sources: Reuters