• Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Instagram

Get Blogtog updates on the go

We dont Spam or play with your data

©2019 by Blogtog.

  • Blogtog

বৃষ্টি এখন মানুষের হাতে- চিনের স্কাই রিভার প্রজেক্টে পরীক্ষা চলছে কৃত্রিম বৃষ্টির



চারদিকে রোদ। নেই কোন বৃষ্টির সম্ভবনা। তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে চল্লিশের কোঠায়।

ঠিক সেই মুহূর্তেই আকাশ ঢেকে যাচ্ছে প্রচুর সাদা সাদা মেঘে। খানিকক্ষণের মধ্যেই ঝরঝরিয়ে বৃষ্টি।


না, কোন যাদু মন্ত্র বলে নয়। ক্লাউড সিডিং করে এইভাবেই প্রতিবছর কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টি হচ্ছে চিন, রাশিয়া, আমেরিকা, মিডিল ইস্টে। কৃত্রিম পদ্ধতিতে রকেট লঞ্চিংএর মাধম্যে আকাশে পাঠানো হচ্ছে বিভিন্ন কেমিক্যাল। যা মেঘে আইস ক্রিস্টালের পরিমাণ বাড়াচ্ছে নিমিষে।


ফলত বিনা মেঘে বৃষ্টিপাত।


পড়ুনঃ টাকির পার্থ মুখার্জি- ভাঙা কলের মুখে কল লাগাচ্ছেন, দল নিয়ে গাছ কাঁটা আটকাচ্ছেন


প্রতিবছর এই আর্টিফিশিয়াল বৃষ্টিপাতের পেছনে চিন খরচ করছে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার শুধুমাত্র একটি অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের জন্যে। ১৫ মিলিয়ন ডলার প্রতিবছর খরচ করে আমেরিকা প্রতিবছর ঘটাচ্ছে প্রায় ৫৫ বিলিয়ন টন বৃষ্টিপাত।



Image curtesy: Mirrornownews.com


এখনো পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে এই পদ্ধতির উপযোগিতা নিয়ে। কারণ দেখা গিয়েছে, কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টিপাতের ফলে আশঙ্কা রয়েছে স্থানীয় জলবায়ু বদলে যাওয়ার ফলে নির্দিষ্ট সময়ে বৃষ্টিপাতে দেখা দিতে পারে আশঙ্কা।


IIT kanpur এর রিসার্চরা কাজ করছেন দিল্লীতে ক্লাউড সিডিং এর মাধ্যমে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানোয়। এই উপায়ে মেঘের মাধম্যে পরিষ্কার করা যেতেও পারে দিল্লীর দূষণ।


পড়ুনঃ আর কয়েক বছরের মধ্যেই কলকাতার অবস্থাও হবে চেন্নাইয়ের মতন


চিনের 'স্কাই রিভার' প্রজেক্ট আপাতত হতে চলেছে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানোর সবচেয়ে বড় নিদর্শন। তিবেতিয়ান পাহাড়ি অঞ্চলে বসানো হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ফুয়েল-বারনিং চেম্বার। China's Tsinghua university-এর রিসার্চরা আশা করছেন এর ফলে বৃষ্টিপাত ঘটানো জেতে পারে প্রায় ১.৬ মিলিয়ন স্কয়ার কিলোমিটারে।


আপাতত গোটা পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা তাকিয়ে আছে স্কাই রিভারের দিকে। কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টিপাত যদি সত্যি একটা পথ খুলে দেয় তাহলে ভারতেও এর সুপ্রভাব পরা শুধু সময়ের অপেক্ষা।