• Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Instagram

Get Blogtog updates on the go

We dont Spam or play with your data

©2019 by Blogtog.

  • Blogtog

বিশ্বকাপের টুকরো টুকরো খবর কুড়িয়েছে ঋদ্ধিমান ভট্টাচার্য

১৯৭৫ এর বিশ্বকাপ ক্রিকেট! অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ম্যাচ চলছে।ফাইনাল ম্যাচ! বল করছেন ডেনিস লিলি আর ব্যাট হাতে রয় ফ্রেডরিকস।লিলির করা একটা শর্ট লেন্থের বল সপাটে হুক করলেন ফ্রেডরিকস, বল চলে গেল গ্যালারিতে।ছয়! কিন্তু ফ্রেডরিকস নিজেই তাল সামলাতে পারলেন না, পরলেন স্টাম্পের উপর।ওয়ান ডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এটিই প্রথম হিট উইকেট। ২০১১ সালের ফাইনাল! ওয়ানখেরে স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে জেফ ক্রো কয়েন টস করলেন। শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা হেড কল করলেও, তা শুনতে পেলেন না ম্যাচ রেফারী। আবার টস করলেন। এবারে আবার সাঙ্গাকারা হেড কল করলেন এবং জিতলেন টসে।ভাগ্যিস, না হলে হয়ত খুব ঝগড়া হতো দুই ক্যাপ্টেনের মধ্যে। ২০০৩ এর ইংল্যান্ড-পাকিস্তান ম্যাচ।কেপ টাউনে একের পর এক গোলার বল বল করছেন শোয়েব আকতার। উলটো দিকে নিক নাইট। একটি বলে ব্যাটসম্যান পরাস্ত হতেই স্ক্রিনে ফুতে উঠল বলের স্পিড-১০০.২৩ মাইল প্রতি ঘন্টা। সেই প্রথমবার কোন ফাস্ট বোলার করা ঘন্টায় ১০০ মাইলের চেয়ে গতিবেগের ডেলিভারি।এটি আজও বিশ্বকাপের ইতিহাসে রেকর্ড। ১৯৮৭ র বিশ্বকাপে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ চলছে। মনিন্দর সিংহের বল মিড অফের উপর দিয়ে উড়িয়ে দিলেন ডিন জোন্স। চার না ছয়। লং অফে ফিল্ডিং করছিলেন রবি শাস্ত্রি। আম্পেয়ার শাস্ত্রীর কথা অনুসারে সিদ্ধান্ত নিলেন-এটি চার। মানতে পারেন নি ডিন জোন্স।খেলার বিরতির সময়ও ঝামেলা চলতে থাকে। অবশেষে ভারতীয় দলের অধিনায়ক, কপিল দেব আম্পেয়ারের সাথে কথা বলেন- ওটি ছয় রান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারত এক রানের জন্য হেরে গেলেও, ম্যাচটি, কপিলের অমন স্পোর্টস ম্যান স্পিরিটের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৮৩ সাল অবধি ওয়ানডে ম্যাচ ছিল ৬০ ওভারের। সে বছর চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ২০০৭ সালের প্রথম টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। আবার ২০১১ তেও চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ৬০, ৫০ এবং ২০ তিন রকমের ফরম্যাটেই বিস্বসেরা হওয়ার নজির একমাত্র টিম ইন্ডিয়ার।